মার্জিত অবসাদ
1)
##মার্জিত অবসাদ##
------------------------------
সবকিছুতে শেষে থাকি।
মন খারাপ হয়।
নিজেকে একলা মনে হয়!
নিরাবলম্ব,পরগাছা।
কারোর কাছে আসতে চাই।
কত কাছে ?
যতটা কাছে এলে একজন
অন্যজন হয়ে যায়?
ভেবে দেখো ।
ভাবা দরকার!
অতটা কাছে আসা অনেকটাই
ঝুঁকি।
তুমি আর তুমি থাকবে
না।
ছোটবেলার কথা মনে হয়।
সবাই দল বেঁধে দাঁড়িয়ে
আর আমি একটু দূরে একা।
দয়া করে যদি কেউ খেলায়
ডাকে,
সেদিন খেলা হয়।
নয়তো দূরে দাঁড়িয়ে
কষ্ট পাই।
কষ্ট পেয়ো না।
দূরে থাকো।
দূরত্ব ভালো।
দেখতে পাওনা এই ব্রহ্মাণ্ডে
সবকিছু কেমন দূরে দূরে থাকে!
কিন্তু টেনে রাখে পরস্পর
পরস্পরকে।
জোৎস্না কোনদিন লোভনীয়
হতো না, যদি চাঁদ রোজ একটু একটু করে পৃথিবীর ঘাড়ের উপরে এসে পড়তো।
নিজের সঙ্গে নিজের এই
কথোপকথন নতুন কিছু নয়।
সবচেয়ে বেশি কথা আমরা
নিজের সঙ্গেই বলি।
নিজের মনে নিজের প্রতিপক্ষ
তৈরি করি।
তারপরে তার সঙ্গে ঝগড়া
করি, মারামারি করি।ভালোবাসি,আদরে সোহাগে ভরিয়ে দিই নিজেকে নিজেই।
নিজের এই প্রতিবিম্বিত
সত্ত্বা আমরা দেখতে পাই না,কিন্তু অনুভব করি।
আমার সব কিছু সত্য--
সে জানে।
তাই ভয়ও পাই তাকেই
সবচেয়ে বেশি।
চারপাশের 'অচেনা',
'অল্প চেনা', 'অর্ধেক চেনা' মানুষদের সঙ্গে রোজ কথা বলতে বলতে মনের কুঠুরিতে ঝুল জমে।
সেই ঝুল পরিষ্কার করতে
হয় আমার 'আমি'কে।
এত অল্প সময়ের জীবন, ঝুল পরিষ্কার করতে করতেই কেটে যায়।।
Comments
Post a Comment